সরকারের উদাসীনতায় ভেসে যাচ্ছে ইলেক্ট্রো-মেডিকেলের ছাত্রদের ভবিষ্যত

ইলেক্ট্রো-মেডিকেলের ছাত্ররা তাদের নিজস্ব দাবি সংবলিত এক স্মারকলিপি বেলা ১১.৩০টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক বরাবর প্রদান করেন। পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটের ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এ বিভাগের ছাত্ররা এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন । গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্ররা জানান, “বিগত ২০০৫ সালে বাংলাদেশের কিছু সরকারী পলিটেকনিকে ইলেকট্রো-মেডিকেল নামের বিভাগটি চালু হয় । পরবর্তীতে যথাক্রমে ময়মনসিংহ, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, বি.বাড়ীয়া ও রাজশাহীতে এ বিভাগটি চালু করা হয়। প্রথম অবস্থা থেকেই পর্যাপ্ত ক্লাসরুম,বিভাগীয় শিক্ষক,ব্যবহারিক যন্ত্রপাতি,ব্যবহারিক ল্যাব,পাঠ্যবইসহ আরো অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে বিভাগটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে । কিন্তু পরবর্তী সময়ে পাঠ্যবইয়ের কিছুটা সমাধান হলেও অন্যান্য সমস্যা থেকেই যায় । ইতিমধ্যে এইবিভাগ থেকে বিগত বছরে দুই ব্যাচ শিক্ষার্থী পাশ করে বের হয়েছেন । কিন্তু এখনও পর্যন্ত সরকারীভাবে কোন কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং সে সাথে তাদের উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা হয় নি । যথাযথ চাকুরী ক্ষেত্র এবং উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ না থাকায় পাশ করে বের হয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীরা হতাশা, গ্লানির মধ্য দিয়ে কাটাচ্ছেন তাদের জীবন আর সন্দিহান হয়ে উঠছেন তাদের ভবিষ্যত নিয়ে । অথচ বর্তমান বাংলাদেশের সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল , জেলা হাসপাতাল , উপজেলা হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে অনেক যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে । এতে করে রোগীদের যথাযথ সুচিকিৎসা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে । ”

কিন্তু সরকার সে দিকে দৃষ্টি না দিয়ে শিক্ষাখাত থেকে একচেটিয়া পুঁজির কারবারীদের সর্বোচ্ছ মুনাফার লক্ষ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের ষড়যন্ত্রকে কার্যকর করছে । আর তারই অংশ হিসেবে আমাদের চিকিৎসা প্রতিষ্টান গুলো সহ বিভিন্ন সেক্টরে ইলেক্ট্রো- মেডিকেলের ছাত্রদের যথাযথ ব্যবস্থা না করে বিদেশী প্রকৌশলী এবং পরামর্শদাতাদের কাজে লাগিয়ে একচেটিয়া পুঁজিপতিদের ¯^v_©B রক্ষা করছে । এ প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যত নিশ্চয়তার জন্য তাদের ন্যায়-সঙ্গত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন । প্রয়োজনে সারাদেশের ইলেক্ট্রো- মেডিকেলের ছাত্রদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান শিক্ষার্থীরা । জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা নিম্নলিখিত দাবী সমূহ উত্থাপিত করেন ।

1) সুষ্ট ও সুন্দরভাবে শিক্ষার্থীদেরকে সুশিক্ষা প্রদানের জন্য পর্যাপ্ত ও অভিজ্ঞ শিক্ষক নেই । এমতাবস্থায় সুষ্ট ও সুশিক্ষা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পর্যাপ্ত শিক্ষক আবশ্যক ।

2) শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ল্যাবরেটরী এবং ব্যবহারিক যন্ত্রপাতি আবশ্যক ।

3) ইলেক্ট্রো-মেডিকেলের বিভাগের চার (০৪) বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাঠ্যক্রম শেষ করার পর উক্ত বিভাগের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের কোন সুযোগ নেই । এমতাবস্থায় উক্ত বিভাগের উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা আবশ্যক ।

ইলেক্ট্রো-মেডিকেলের বিভাগের শিক্ষাক্রম শেষ করার পর সরকারীভাবে কোন কর্মক্ষেত্রে- র সুযোগ নেই

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s